বাংলাদেশের তরুণ গবেষক ও উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবিত বহু প্রতিশ্রুতিশীল জলবায়ু অভিযোজন প্রযুক্তি প্রাথমিক ‘পাইলট’ পর্ব অতিক্রম করে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারছে না। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক গোলটেবিল সংলাপে পরিবেশবিদ ও নীতি-গবেষকরা এ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, লবণাক্ততা প্রতিরোধী কৃষি প্রযুক্তি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশীয় তরুণদের চমৎকার কিছু মডেল থাকলেও প্রোটোটাইপ তৈরির পর পরবর্তী ধাপে প্রয়োজনীয় মূলধনের তীব্র সংকট তৈরি হয়। প্রচলিত ব্যাংকগুলো নতুন স্টার্টআপে বড় অঙ্কের ভেঞ্চার ঋণ দিতে আগ্রহী হয় না।
আলোচনায় সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ে একটি ‘ক্লাইমেট ইনোভেশন অ্যাক্সিলারেটর ফান্ড’ গঠনের আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক ল্যাবরেটরিতে পেটেন্ট টেস্টিং সুবিধার ঘাটতিও উদ্ভাবকদের অন্যতম বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
সংলাপে অংশ নেওয়া উদ্যোক্তারা বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রথম সারির ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হলেও সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই ঝুঁকি মোকাবিলার প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বৈশ্বিক নেতৃত্ব দেওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা তরুণ সমাজের রয়েছে।