২০২৫ সালে ‘ট্র্যাডিশনাল শাড়ি উইভিং আর্ট অব টাঙ্গাইল’ ইউনেসকোর ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’র ‘রিপ্রেজেনটেটিভ লিস্টে’ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, অন্যদিকে ‘টাঙ্গাইল শাড়ি’ নামে যে স্বতন্ত্র পণ্য-পরিচয় ও ব্র্যান্ড তৈরি হয়েছে, তার ঐতিহাসিক নির্মাণে বসাক তাঁতিদের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ ‘টাঙ্গাইল শাড়ি’ কোনো একটি কারখানা বা একটি গ্রামের পণ্য নয়; এটি একটি বিস্তৃত প্রোডাকশন ইকোসিস্টেম। কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো কতজন সক্রিয় তাঁতি আছেন? কতজন মাস্টার উইভার? কতজন ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী? কতজন নতুন করে এই পেশায় ঢুকছেন? কতজন বেরিয়ে যাচ্ছেন? কতজন নারী ও পুরুষ বয়নপূর্ব ও বয়নোত্তর কাজে যুক্ত? কতজন শিক্ষানবিশ আগামী পাঁচ বছরে একজন দক্ষ বয়নশিল্পী বা বয়নকারিগর হতে পারবেন? এসব তথ্য ছাড়া হেরিটেজ পলিসি অনেকটাই অন্ধকারে তৈরি হবে।
বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের জিআই আবেদনে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ এবং বয়নপূর্ব ও বয়নোত্তর সহায়তার মতো কাজের কথাও উল্লেখ আছে। যাঁরা বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা ও হাতে-কলমে অর্জিত দক্ষতার মাধ্যমে একটি তাঁতকে নিখুঁতভাবে পরিচালনা করেছেন, তাঁদের বড় একটি অংশের বয়স এখন ৫০ বছর বা তার বেশি। একজন তরুণের কাছে পেশা বেছে নেওয়ার সময় ঐতিহ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, কিন্তু সেটি একমাত্র সিদ্ধান্তের কারণ হতে পারে না।

