কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ভাসমান টার্মিনালের (এফএসআরইউ) নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে। এর ফলে জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ পূর্ণ মাত্রায় ফিরে এসেছে এবং রাজধানীসহ দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়েছে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, টার্মিনালটির রক্ষণাবেক্ষণ চলাকালীন সময়ে দৈনিক প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের রফতানিমুখী পোশাক কারখানা এবং সিরামিক শিল্পে উৎপাদন কিছুটা ব্যাহত হয়েছিল। আজ থেকে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন দৈনিক ৮৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, সার কারখানা ও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে আসন্ন সেচ মৌসুমের আগে সার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা কেটে গেছে।
শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।




