ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক আইটেমগুলো প্রতিযোগী ভিয়েতনামের তুলনায় অর্ধেকেরও কম গড় মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশ্লেষণ ও ইউরোস্ট্যাটের সাম্প্রতিক তথ্য পর্যালোচনা করে এ চিত্র উঠে এসেছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোপের ক্রেতারা ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা পোশাকের প্রতি কেজিতে যেখানে ৩০ থেকে ৩৫ ইউরো বা তার বেশি মূল্য দিচ্ছেন, সেখানে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত সমজাতীয় পণ্যের গড় মূল্য মিলছে ১৪ থেকে ১৫ ইউরোর মধ্যে।
শিল্প বিশ্লেষক ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশ এখনো মৌলিক সুতি পোশাকের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। বিপরীতে ভিয়েতনাম উচ্চমূল্যের অ্যাক্টিভওয়্যার, জ্যাকেট, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল এবং ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ) ভিত্তিক পোশাক উৎপাদনে বড় সাফল্য দেখিয়েছে।
বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ বলছেন, ইউনিট প্রতি মূল্য বাড়াতে হলে পোশাকখাতে গবেষণা, আধুনিক ডিজাইন ল্যাব ও সিন্থেটিক ফেব্রিক উৎপাদনে শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দ্রুত সম্প্রসারণ করতে হবে।

