দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে স্বস্তিদায়ক খবর প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সংস্থার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) প্রতিবেদনে দেখা গেছে, পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৭ দশমিক ০২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত দশ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
খাদ্য মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক বা হেডলাইন মূল্যস্ফীতিও কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও খোলা বাজারে চাল-আটা বিক্রি (ওএমএস) কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে জোরদার করায় চালের দামে স্থিতিশীলতা এসেছে।
পাশাপাশি যশোর, বগুড়া, কুমিল্লা ও জামালপুরসহ উত্তর-মধ্যাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে আগাম শীতকালীন শাকসবজির পর্যাপ্ত চালান রাজধানীর বাজারে পৌঁছানো শুরু করেছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক তথ্যমতে, টানা ১২ মাস ধরে দেশের কৃষি খাতের পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই) সম্প্রসারণের ধারায় রয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, খাদ্যদ্রব্যের সরবরাহ চেইনে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ এবং আমদানি শুল্কের সঠিক সমন্বয়ের সুফল বাজারে দৃশ্যমান হচ্ছে। তবে অ-খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতির কার্যকারিতা বজায় রাখা প্রয়োজন।




