সংশ্লিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে দেশে প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়েছিল।
প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, যদিও এরই মধ্যে ২০২৮ সাল থেকে শিক্ষাক্রমে ব্যাপক মাত্রায় পরিমার্জনের ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়েও বেশ কিছু পরিমার্জনের পাশাপাশি চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চারটি বই যুক্ত করা হবে। এ পরিস্থিতিতে আজ ১৭ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে মহান শিক্ষা দিবস।
১৯৬২ সালের এই দিনে তৎকালীন শরিফ শিক্ষা কমিশনের প্রতিবাদ থেকে যে শিক্ষা আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তার কেন্দ্রে ছিল সবার জন্য গণমুখী ও বৈষম্যহীন শিক্ষা। ৬৪ বছর পরও সেই লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়নি; বরং শিক্ষায় বৈষম্যের নানা ধরন যুক্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আজ ১৭ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে মহান শিক্ষা দিবস।