জাতীয় মেধা ও প্রশাসনিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকারি চাকরি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের জন্য কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা চালু করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।
নতুন ব্যবস্থার আওতায় দেশের সকল শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ একটি সমন্বিত ইন্টারফেসের মাধ্যমে পিএসসির সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ফলে চাকরিপ্রার্থী বা শিক্ষার্থীরা আবেদন করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের পরীক্ষার রোল, রেজিস্ট্রেশন ও ফলাফল যাচাই হয়ে যাবে।
বিপিএসসি চেয়ারম্যান জানান, বিসিএসসহ নন-ক্যাডার নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থীদের পূর্বে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত কাগজের কপি জমা দিতে হতো, যা অনেক সময় জালিয়াতির সুযোগ সৃষ্টি করত। নতুন অনলাইন প্রক্রিয়ায় কোনো কাগজ জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না এবং এক ক্লিকেই সনদের সত্যতা নিশ্চিত হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এ ব্যবস্থা সরকারি নিয়োগে সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় করবে এবং কোনো অসাধু চক্র ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি বাগিয়ে নিতে পারবে না। পর্যায়ক্রমে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও এই ভেরিফিকেশন এপিআই উন্মুক্ত করা হবে।

