প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত জাতীয় স্কুল মিল কর্মসূচি দেশের ১৫০টি দারিদ্র্যপীড়িত উপজেলায় বিস্তৃত হয়েছে। প্রতিদিন প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ডিম, দুধ, তাজা মৌসুমি ফল ও পুষ্টিকর খিচুড়ি সরবরাহ করা হচ্ছে। শিক্ষক ও অভিভাবকরা জানিয়েছেন, দুপুরের পুষ্টিকর আহার নিশ্চিত হওয়ায় দরিদ্র পরিবারের শিশুদের স্কুলে আসার আগ্রহ বহুগুণ বেড়েছে এবং প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে।
শিক্ষাগাইবান্ধা
জাতীয় স্কুল মিল কর্মসূচির পরিধি বৃদ্ধি: প্রান্তিক এলাকায় উপস্থিতির হার শতভাগে উন্নীত
পুষ্টিকর গরম দুপুরের খাবার বিতরণের ফলে অপুষ্টি দূর ও ঝরে পড়ার হার শূন্যের কোঠায়।
শিক্ষা ডেস্ক
শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগ, দেশপত্র
প্রকাশ: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ পরিমার্জন: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬