ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর (দেশপত্র ডেস্ক): স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মেজর জেনারেল মো. আলীমুল আমীন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্প্রতি জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দেশের সকল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সেবাপ্রত্যাশী সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি বন্ধ এবং ই-পাসপোর্ট বিতরণের গতি বাড়ানোর বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী বাংলাদেশি ও জরুরি চিকিৎসার জন্য বিদেশগামী নাগরিকদের দ্রুততম সময়ে পাসপোর্ট সরবরাহ করা এখন অধিদপ্তরের শীর্ষ অগ্রাধিকার। বিশেষ করে ঢাকাসহ বড় বড় বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসগুলোতে সেবাগ্রহীতাদের দীর্ঘ লাইন, সার্ভার জটিলতা এবং দালাল চক্রের উৎপাত চিরতরে নির্মূল করতে বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হচ্ছে। এছাড়া আবেদন যাচাই প্রক্রিয়ায় অটোমেটেড পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সিস্টেমের সাথে ডাটাবেজের সম্পূর্ণ সংহতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতে ই-পাসপোর্ট সেবা পুরোদমে চালু হলেও প্রযুক্তিগত কিছু সমস্যার কারণে প্রবাসীদের বিলম্ব পোহাতে হতো। নতুন মহাপরিচালকের নির্দেশনায় কারিগরি সহায়তাদানকারী কনসোর্টিয়ামের সাথে বৈঠক করে পাসপোর্ট প্রিন্টিং সক্ষমতা প্রতিদিন ৪০ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সাথে পাসপোর্টের অমিল দূরীকরণে যে নীতিমালা রয়েছে, তার মানবিক ও কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। পাসপোর্ট পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার—এই নীতিকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।



