ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর (দেশপত্র ডেস্ক): দেশের যেকোনো প্রান্তে তাৎক্ষণিক বিপদ বা দুর্যোগকালে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স সূত্রে জানা গেছে, সেবাটির আধুনিকায়ন ও কল ক্যাপাসিটি বৃদ্ধির পর এখন প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পুলিশি সহায়তা, অগ্নিনির্বাপণ এবং দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স সেবা পাচ্ছেন।
২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করা এই হেল্পলাইনে এ পর্যন্ত কোটি কোটি নাগরিক কল গ্রহণ করা হয়েছে। প্ল্যাটফর্মটিতে আধুনিক কম্পিউটারাইজড ডিসপ্যাচ সিস্টেম যুক্ত থাকায় কলকারী যে এলাকারই হোক না কেন, মুহূর্তের মধ্যে নিকটবর্তী থানা বা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সাথে সংযোগ স্থাপন করে উদ্ধারকারী দল পাঠিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। বিশেষ করে সড়ক দুর্ঘটনা, পারিবারিক সংকট এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে এই সেবা দ্রুততম প্রতিকার নিশ্চিত করছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ভুয়া বা অপ্রয়োজনীয় কলের হার কমাতে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চলমান রয়েছে। বর্তমানে ৯৯৯ সেবাকেন্দ্রে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা তিন শিফটে দক্ষ কল টেকার ও পুলিশ সুপারভাইজাররা দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রশাসনিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সেবামূলক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেনি, বরং সাধারণ নাগরিকের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাবোধ ও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।






