কিন্তু আপনার ওই একটি ‘কমান্ড’ বা নির্দেশ পালন করতে গিয়ে পর্দার আড়ালে খরচ হয়ে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ পানি ও বিদ্যুৎ।
প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ধরা যাক, আপনি চ্যাটজিপিটি বা মিডজার্নির মতো কোনো এআই টুলে লিখলেন, ‘পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যাস্তের একটি ছবি বানাও। ’ এ নির্দেশ ইন্টারনেট হয়ে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে চলে যায় দূরের কোনো এক ডেটা সেন্টারে। অধিকাংশ বড় ডেটা সেন্টার তাদের সার্ভার ঠান্ডা রাখতে ‘বাষ্পীভবন শীতলীকরণ (ইভাপোরেটিভ কুলিং)’ পদ্ধতি ব্যবহার করে।
পানির খরচটা আসলে কত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রকৌশল সাময়িকী আইইইই স্পেকট্রামে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে করা এক গবেষণার হিসাব অনুযায়ী, জিপিটি-৩ মডেল দিয়ে ১৫০ থেকে ৩০০ শব্দের একটি সাধারণ লেখা তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গড় ডেটা সেন্টারে প্রায় ১৭ মিলিলিটার পানি খরচ হতো। এর মধ্যে সরাসরি কুলিংয়ে লাগে পৌনে ২ মিলিলিটার, বাকিটা লাগে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। জ্বালানি খরচের উপাত্তের ভিত্তিতে করা কিছু হিসাবে একটি ছবি তৈরিতে গড়ে প্রায় ২৩ মিলিলিটার পানি খরচের কথা বলা হয়েছে।
