শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ভিডিও ফিচার: চিলমারী চরের মাটিতে কম খরচে ড্রাগন ফলের বাগান গড়ে স্বাবলম্বী প্রকৌশলী তরুণ

কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের চরে সৌরচালিত ড্রিপ সেচ ও জৈব সার ব্যবহার করে তিন একর বালুচরে ড্রাগন ফলের সবুজ বিপ্লব ঘটিয়েছেন তরুণ প্রকৌশলী আল-আমিন।

দেশপত্র ডেস্ক

দেশপত্র ডেস্ক

বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ

প্রকাশ: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ পরিমার্জন: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভিডিও ফিচার: চিলমারী চরের মাটিতে কম খরচে ড্রাগন ফলের বাগান গড়ে স্বাবলম্বী প্রকৌশলী তরুণপ্রতীকী ছবি
ভিডিও ফিচার: চিলমারী চরের মাটিতে কম খরচে ড্রাগন ফলের বাগান গড়ে স্বাবলম্বী প্রকৌশলী তরুণছবি: Deshpotro.com ডেস্ক
WhatsApp

নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারানো ব্রহ্মপুত্রের বালুচর এতদিন যেখানে কেবল ঘাস আর ধু-ধু বালুর প্রতীক ছিল, সেখানেই আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ফলেছে মিষ্টি লাল ড্রাগন ফল। কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার তরুণ কম্পিউটার প্রকৌশলী মো. আল-আমিন চাকরি ছেড়ে নিজ গ্রামে ফিরে গড়ে তুলেছেন 'স্বপ্নচর ড্রাগন এগ্রো পার্ক'।

দেশপত্রের বিশেষ ভিডিও প্রতিবেদনে দেখা যায়, বালুময় মাটিকে উর্বর করতে তিনি ব্যবহার করেছেন কেঁচো সার ও পচানো গোবর। পানির অপচয় রোধে পুরো তিন একর জমিতে বসিয়েছেন সৌরচালিত ড্রিপ ইরিগেশন ব্যবস্থা, যা ফোঁটায় ফোঁটায় গাছের গোড়ায় পানি ও তরল খাদ্য পৌঁছে দেয়।

আল-আমিন জানান, চলতি মৌসুমে তার বাগান থেকে প্রায় আট টন ড্রাগন ফল সংগৃহীত হয়েছে, যা রংপুর ও ঢাকার বিভিন্ন সুপারশপে গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তার এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে চিলমারী ও রৌমারীর অন্তত ২০ জন বেকার যুবক চরে ড্রাগন ও মাল্টা চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, চরের বালুমাটিকে আধুনিক বিজ্ঞানের সাহায্যে সম্পদে রূপান্তরের এই ভিডিও ডকুমেন্টারি দেশের লাখো শিক্ষিত তরুণকে আধুনিক কৃষিতে ক্যারিয়ার গড়তে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করবে।

এই সংবাদটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

একটি বা একাধিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারেন