বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের ভবিষ্যৎ সামাজিক সুরক্ষা ও বার্ধক্যকালীন আর্থিক নিশ্চয়তা বিধানে 'সর্বজনীন পেনশন স্কিম'-এর 'প্রবাসী' প্যাকেজে যুক্ত করা হয়েছে অনন্য কিছু আর্থিক সুবিধা। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রবাসীরা এখন যেকোনো দেশ থেকে তাদের বৈদেশিক মুদ্রার আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড বা অনুমোদিত রেমিট্যান্স চ্যানেলের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক পেনশন প্রিমিয়াম জমা দিতে পারছেন।
বিশেষ প্রণোদনা হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি কিস্তির বিপরীতে প্রচলিত আড়াই শতাংশ নগদ প্রণোদনা সরাসরি পেনশন ব্যালেন্সের সাথে সংযুক্ত করা হচ্ছে। একই সাথে পেনশন তহবিলে জমাকৃত অর্থ সম্পূর্ণ করমুক্ত রাখা হয়েছে এবং ১০ বছর মেয়াদ পূর্ণ হলে দেশে ফিরে একজন প্রবাসী আজীবন সরকারি ট্রেজারি গ্যারান্টিযুক্ত মাসিক পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া ও ইতালির বিভিন্ন প্রবাসী কমিউনিটিতে ইতোমধ্যে এই স্কিম বিপুল সাড়া ফেলেছে। প্রবাসীরা বলছেন, বিদেশে কঠোর পরিশ্রমের পর দেশে ফিরে জীবিকার যে অনিশ্চয়তা থাকত, এই পেনশন ব্যবস্থা তাদের পরিবারের জন্য একটি মজবুত ঢাল তৈরি করছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিদেশে অবস্থিত সব বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলার কার্যালয়ে 'প্রবাসী পেনশন হেল্পডেস্ক' স্থাপন করা হবে যাতে সাধারণ শ্রমিকরাও সহজে নাম নিবন্ধন করতে পারেন।

