**ঢাকা:** বর্ষা-পরবর্তী মৌসুমে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত সংক্রামক রোগের বিস্তার স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর এবং সিটি করপোরেশনের যৌথ উদ্যোগে একটি বিশেষ 'ভেক্টর রিসার্চ ল্যাবরেটরি ও সমন্বিত মনিটরিং সেল' যাত্রা শুরু করেছে।
নতুন এই ল্যাবরেটরির মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে এডিস ও কিউলেক্স মশার লার্ভার কীটনাশক সহনশীলতা বা রেজিস্ট্যান্স সার্বক্ষণিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরীক্ষা করা হবে। ফলে প্রচলিত ওষুধের অকার্যকারিতা রোধে পরিবেশবান্ধব জৈব ব্যাক্টেরিয়াল লার্ভিসাইড (বিটিআই) এবং সঠিক ঘনমাত্রার ফর্মুলেশন প্রয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি) জানিয়েছে, রাজধানীর প্রতিটি ওয়ার্ডের নগর মাতৃসদন, সরকারি হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে এনএস-১ অ্যান্টিজেন টেস্ট কিট এবং প্রয়োজনীয় আইভি ফ্লুইড (স্যালাইন) পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের নির্দেশনায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের প্লাটিলেট ও হেমাটোক্রিট সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখার বিশেষ প্রটোকল সক্রিয় করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, কেবল রাসায়নিক ওষুধ ছিটানোর ওপর নির্ভর না করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাসাবাড়িতে জমে থাকা পানির উৎস ধ্বংসই মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের প্রধান কার্যকর পন্থা। নতুন মনিটরিং সেলের আওতায় উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ড্রোন নজরদারি ও তাৎক্ষণিক হটস্পট ধ্বংস অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

